০১:১০ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৬ অগাস্ট ২০২৬, ৩১ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
বাগেরহাটে সংবাদ সম্মেলনে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা

নৌবাহিনীর সাবেক কর্মকর্তার বিরুদ্ধে সৎ বোন ও মাকে ঘরছাড়া করার অভিযোগ

বাগেরহাটের রামপাল উপজেলায় নৌবাহিনীর সাবেক চাকরিচ্যুত কর্মকর্তা ফারজানা তন্নীর বিরুদ্ধে সৎ বোন ও মাকে বাড়ি থেকে উচ্ছেদ, স্বর্ণালঙ্কার ও জমির দলিল ছিনিয়ে নেওয়া এবং সম্পত্তি দখলের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় প্রশাসনের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করে সংবাদ সম্মেলন করেছেন তার সৎ বোন ফারহানা তাবাসসুম।

রোববার (২১ জুন) সকালে বাগেরহাট ক্লাবের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন ফারহানা তাবাসসুম।

লিখিত বক্তব্যে তিনি জানান, তার পিতা প্রয়াত অ্যাডভোকেট আবুল হোসেনের মৃত্যুর পর থেকেই পারিবারিক সম্পত্তি নিয়ে বিরোধের সূত্রপাত হয়। অভিযোগ করা হয়, ২০২৪ সালের ২৩ নভেম্বর পিতার মৃত্যুর পরদিনই সৎ বোন ফারজানা তন্নী বহিরাগত লোকজন নিয়ে তাদের বাড়িতে প্রবেশ করে ফারহানা ও তার মাকে জোরপূর্বক বাড়ি থেকে বের করে দেন। পরে ঘরে তালা লাগিয়ে স্বর্ণালঙ্কার, গুরুত্বপূর্ণ কাগজপত্র ও জমির দলিলপত্র নিজেদের দখলে নেন।

সংবাদ সম্মেলনে দাবি করা হয়, খুলনা শহরের হাজী মহসিন রোডে অবস্থিত প্রায় তিন শতক জমির ওপর নির্মিত তিনতলা একটি বাড়িসহ কয়েক কোটি টাকার সম্পত্তি আত্মসাতের উদ্দেশ্যে এ ধরনের কর্মকাণ্ড চালানো হচ্ছে।

ফারহানা তাবাসসুম আরও অভিযোগ করেন, সম্পত্তি বিরোধকে কেন্দ্র করে গত বছরের ২৮ জানুয়ারি তার ও তার মায়ের ওপর হামলার ঘটনা ঘটে। এতে তার মা গুরুতর আহত হন। এ ঘটনায় আদালতে একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে বলেও তিনি জানান।

তিনি বলেন, “আমরা বর্তমানে চরম নিরাপত্তাহীনতার মধ্যে রয়েছি। জীবননাশের হুমকির কারণে স্বাভাবিকভাবে বসবাস করতে পারছি না। পারিবারিক এই বিরোধকে রাজনৈতিক রূপ দিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও বিভিন্ন মহলে বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়ানো হচ্ছে।”

সংবাদ সম্মেলনে আরও অভিযোগ করা হয়, সম্প্রতি স্থানীয় কয়েকজন বিএনপি নেতার ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে হামলা ও উচ্ছেদের চেষ্টার ঘটনাও একই বিরোধের ধারাবাহিকতার অংশ।

ফারহানা তাবাসসুম প্রশাসনের কাছে তার পরিবারের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা, দখল হওয়া সম্পত্তি ও দলিলপত্র ফেরত দেওয়া এবং অভিযোগের সুষ্ঠু তদন্তপূর্বক প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানান।

সংবাদ সম্মেলনে তার মা হামিদা বেগমসহ ও স্থানীয় কয়েক ব্যক্তি উপস্থিত ছিলেন।

বিষয়