ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বাগেরহাট-২ আসনে ভোট গ্রহনে ব্যপক অনিয়ম হয়েছে। তাই ৬৩ জন প্রিজাইডিং অফিসারসহ ৭১ জনকে বিবাদী করে ট্রাইবুনালে পিটিশন করা হয়েছে বলে সংবাদ সম্মেলনে উল্লেখ করেছেন, বাগেরহাট-২ আসনের বিএনপি দলীয় পরাজিত প্রার্থী ও বাগেরহাট জেলা পরিষদের প্রশাসক ব্যারিষ্টার শেখ মোহাম্মদ জাকির হোসেন।
বাগেরহাট প্রেসক্লবে সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, নির্বাচন পরিচালনার দায়িত্বে যারা ছিলেন তারা নির্বাচনের সময়ে বৈষম্যমুলক আচারন করেছেন। নির্বাচনী আচারন বিধি লংঘন নিয়ে দফায় দফায় অভিযোগ দিলেও কোন ব্যবস্থায় নেয়নি। জেলা রিটানিং অফিসার ও সহকারী রিটানিং অফিসারসহ বেশীর ভাগ কেন্দ্রের প্রিজাইডিং অফিসার পক্ষপাতমুলক নির্বাচন পরিচালনা করায় বাগেরহাট -২ আসনে বিএনপির ব্যাপক ভোটের ব্যবধানে পরাজয় হয়েছে। বিগত নির্বাচনের ফলাফল অনুযায়ী এ আসনে জামায়াত ইসলামী ব্যাপক ভোটের ব্যবধানে পরাজিত হয়েছে। অথচ ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনের ভোটের ফলাফলে দেখা যায় ব্যাপক ভোটের ব্যবধানে বিএনপি কে পরাজিত করেছে জামায়াত। এটা খুবই উদ্বেগের কারন হয়ে দাড়ায়।
তিনি বলেন, পরাজয়ের কারন খুঁজতে গিয়ে দেখা যায় এখানে ভোট গ্রহনের নিয়মে চরম অনিয়ম হয়েছে। যার একাধিক তথ্য প্রমান সংগ্রহের জন্য ১৭ জন কে স্বাক্ষী করে নির্বাচনী ট্রইব্যুনালে ৬৩ জন প্রিজাইডিং অফিসারসহ ৭১ জন কে বিবাদী করে একটি পিটিশন করা হয়েছে। যার শুনানী আগামি ২১ মে অনুষ্ঠিত হবে। আর এ পিটিশনের কারনে এ আসনের বিজয়ী প্রার্থীর পক্ষে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে কুরুচিপুর্ন ও মানহানীকর মন্তব্য প্রচার করছে। যা নিলর্জ্জকর।
তিনি আরো বলেন, প্রধানমন্ত্রী পবিত্র ঈদ উপলক্ষে সকল সংসদ সদস্যর মাধ্যমে দরিদ্র মানুষ কে ১০ লাখ টাকা করে নগদ অর্থ সহায়তা দিয়েছে। এটি আসনে কেউ পেয়েছে কিনা তা প্রচার হয়নি। অন্য আসনে যথানিয়মে বিতারন হয়েছে। বিষয়টি নিয়ে এখানে নানা সমালোচনা চলছে। যা আমাদের দলীয় ভাবমুর্তির বিষয় হয়েছে।
এসময় উপস্থিত ছিলেন জেলা বিএনপি’র আহবায়ক এটিএম আকরাম হোসেন তালিম, সদস্য সচিব মোজাফ্ফর রহমান আলম, যুগ্ম আহবায়ক কামরুল ইসলাম গোরা, খাদেম নিয়ামুল নাসির আলাপ, অহিদুল ইসলাম পল্টু ও সাবেক যুবদল সভাপতি ফকির তারিকুল ইসলাম প্রমুখ।







